নীড় / ভ্রমণ / একদিনে সিলেটের বিছনাকান্দি, রাতারগুল ও পান্তুমাই ঝর্ণা ভ্রমণ।
bisanakandi

একদিনে সিলেটের বিছনাকান্দি, রাতারগুল ও পান্তুমাই ঝর্ণা ভ্রমণ।

বাংলাদেশের জনপ্রিয় ভ্রমণ ডেস্টিনেশন গুলোর একটি হলো সিলেট। নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের ভরপুর সিলেট জেলার আনাচে কানাচে রয়েছে অনেক সুন্দর স্থান। তারই মধ্যে বিছনাকান্দি, পান্থুমাই ও রাতারগুল বর্তমানে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। অনেকেই এই তিনটি জায়গা একদিনে ভ্রমণ করার উপায় জানতে চান। তাই আজ আমাদের এই ব্লগে জানাবো বিছনাকান্দি, পান্থুমাই ও রাতারগুল কিভাবে একদিনে ঘুরে বেড়াতে পারবেন তার ভ্রমণ পরিকল্পণা, খরচ সম্পর্কে ধারণা ও বিভিন্ন টিপস।

যেহেতু একদিনে ঘুরবেন এবং তিনটি জায়গা একসাথে না, তাই সব গুলো জায়গা একদিনে দেখার জন্যে সময়ের দিকে অবশ্যই আপনার নজর রাখতে হবে। এই জন্যে চেষ্টা করতে হবে সিলেট শহর থেকে যত সকালে সম্ভব রওনা হয়ে যাওয়া। এই তিনটি জায়গা ভ্রমণের সবচেয়ে ভালো সময় হচ্ছে বর্ষাকাল ও তার পরবর্তী সময় অর্থাৎ জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস। তাই আমাদের এই ভ্রমণ গাইড মূলত বর্ষাকাল ও তার পরবর্তী সময়ের কথা চিন্তা করে সাজানো হয়েছে। চলুন প্রথমে এই তিনটি জায়গা সম্পর্কে কিছু জেনে নেই –

বিছনাকান্দি

বিছনাকান্দি (Bisnakandi) সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত জলপাথরের বিছানার অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের একটি পাথর কোয়ারী। পর্যটকদের কাছে বিছানাকান্দির মূল আকর্ষন হচ্ছে পাথরের উপর দিয়ে বয়ে চলা স্বচ্ছ জলধারা আর পাহাড়ে পাহাড়ে শুভ্র মেঘের উড়াউড়ি। প্রথম দেখায় আপনার মনে হবে এ যেন এক পাথরের বিছানা, আর স্বচ্ছ পানিতে গা এলিয়ে দিতেই যে মানসিক প্রশান্তি পাবেন এই প্রশান্তি আপনাকে বিছানাকান্দি টেনে নিয়ে যাবে বারবার।

pantamai fountain
                                                  পান্তামাই ঝর্না প্রবাহ

পান্তুমাই ঝর্ণা

পান্তুমাই ঝর্ণা (Panthumai Waterfall) গোয়াইনঘাট উপজেলার পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের একটি গ্রামে অবস্থিত। বিছনকান্দি থেকে সহজেই নৌকায় যাওয়া যায় এই ঝর্ণার কাছে। তবে ঝর্ণাটির মূল অবস্থান ভারতের মধ্যে। যা বড়হিল ঝর্ণা নামে পরিচিত। ভারতে অবস্থিত হলেও বাংলাদেশের খুব কাছ থেকে গিয়ে দেখা যায় এই ঝর্ণা।

রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট

রাতারগুল (Ratargul) বাংলাদেশের একমাত্র সোয়াম্প ফরেস্ট  যা সিলেট জেলা শহর থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে গোয়াইনঘাট উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। ৩০,৩২৫ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত এলাকার ৫০৪ একর জায়গায় রয়েছে বন আর বাকি জায়গা ছোট বড় জলাশয়ে পূর্ণ। তবে বর্ষায় পুরো এলাকাটিকেই দেখতে একই রকম মনে হয়। এই রাতারগুল জলাবন বছরে চার থেকে পাঁচ মাস পানির নিচে তলিয়ে থাকা। অনেক পর্যটক রাতারগুলকে বাংলাদেশের আমাজন বলেও ডাকেন।

ratargul watery
                                            রাতারগুল জলাবন

একদিনের ভ্রমণ পরিকল্পনা

#কিভাবে আসবেন সিলেট : আপনি যদি সিলেট এর বাইরে থেকে ঘুরতে যান তাহলে প্রথমেই সিলেট চলে আসুন। মাথায় রাখুন আপনি যে জেলা থেকে যেভাবেই আসুন চেষ্টা করবেন সিলেট যেন খুব ভোরে পৌঁছে যান। ঢাকা বা অন্য দূরের শহর থেকে আসলে আগের দিন রাতে রওনা হয়ে যান।

#ঢাকা থেকে ট্রেনে সিলেট : ঢাকা থেকে বাসে, ট্রেনে অথবা বিমানে সিলেট আসতে পারবেন। ট্রেনে যেতে চাইলে ঢাকা কমলাপুর স্টেশন থেকে উপবন এক্সপ্রেস ৯:৫০ মিনিটে (বুধবার বন্ধ) ছেড়ে সিলেট ভোর ৫ থেকে ৬ টা চলে আসে । ট্রেন ভাড়া শোভন ২৬৫ টাকা, শোভন চেয়ার ৩২০ টাকা, প্রথম ক্লাস চেয়ার ৪২৫ টাকা, কেবিন ১১৪৯ টাকা। ট্রেন স্টেশন থেকে লোকাল সিএনজি (জনপ্রতি ২০ টাকা ভাড়া) বা রিসার্ভ সিএনজি (১০০-১২০ টাকা) তে করে চলে আসুন সিলেট শহরের আম্বরখানাতে।

#ঢাকা থেকে বাসে সিলেট : ফকিরাপুল, সায়দাবাদ ও মহাখালী বাস স্টেশন থেকে গ্রীন লাইন, সৌদিয়া, এস আলম, শ্যামলি ও এনা পরিবহনের এসি বাস যাতায়াত করে, এগুলোর ভাড়া সাধারণত ৮০০ থেকে ১১০০ টাকার মধ্যে। এছাড়াও ঢাকা থেকে সিলেট যেতে শ্যামলী, হানিফ, ইউনিক, এনা পরিবহনের নন এসি বাস জনপ্রতি ৪০০ থেকে ৪৮০ টাকা ভাড়ায় পাবেন। রাত ১০ টার দিকে বাসে উঠলে সকাল ৬ টার আগেই সিলেট পৌঁছে যাবেন। বাস সাধারণত কদমতলী বাস স্টেশন গিয়ে থামে। সেখান থেকে আম্বরখানা চলে যান। আবার বাস অনেক সময় বাস মাজার গেইট পর্যন্ত যায়। সেইক্ষেত্রে হেটেই আম্বরখানা যেতে পারবেন।

#চট্টগ্রাম থেকে সিলেট : চট্টগ্রাম থেকে বাস ও ট্রেনে সিলেট যাওয়া যায়। চট্টগ্রাম থেকে উদয়ন এক্সপ্রেস (শনিবার বন্ধ) রাত ৯ঃ৪৫ মিনিটে রওনা হয়ে সকাল ৬ঃ২০-৬ঃ৪৫ এর মধ্যে পৌঁছে যায় সিলেট। চট্টগ্রাম থেকে বাসে যেতে নন এসি ভাড়া ৬০০-৭০০ টাকা এবং এসি ভাড়া ১০০০-১২০০ টাকা।

সিলেট থেকে যেভাবে ঘুরবেন

#গাড়ি ভাড়া : সিলেট পৌঁছে রওনা হবার আগেই কোন হোটেলে ফ্রেশ হয়ে অল্প সময়ের ভিতর নাস্তা করে নিন। আপনাকে এই তিন জায়গা দেখতে সারাদিনের সিএনজি বা লেগুনা রিসার্ভ করে নিতে হবে। সারাদিনের জন্যে রিসার্ভ নিলে সুবিধা হলো এতে আপনার অনেক সময় বেঁচে যাবে। আপনার একসাথে কতজন তার উপর ভিত্তি করে সিএনজি বা লেগুনা নিতে হবে। সাধারণত এই সিএনজি গুলোতে ৫ জন বসা যায়। সারাদিনের জন্যে সিএনজি ভাড়া ১২০০-১৫০০ টাকা। আর লেগুনা তে ১০-১২ জন বসা যায় এবং সারাদিনের জন্যে ভাড়া ২৫০০-৩০০০ টাকা। আপনাকে অবশ্যই দরদাম করে নিতে হবে। পিক সিজনে পর্যটকের চাপ বেশি থাকলে ভাড়া বেশি চাইতে পারে। আর ভাড়া করার আগে অবশ্যই আপনি কোথায় কোথায় যাবেন। আপনি বলে নিবেন হাদারাপাড় ও রাতারগুল যাবেন।

#রুট প্ল্যান : সিলেট থেকে রাতারগুলের তুলনায় বিছনাকান্দি ও পান্থুমাই দূরে। তাই ভাল হবে প্রথমে বিছন্দাকান্দি ও পান্থুমাই থেকে ঘুরে এসে তারপর রাতারগুল ঘুরে সিলেট শহরে ফিরে আসা। আপনি চাইলে রাতারগুল ঘুরে তারপর বিছনাকান্দি যেতে পারেন। তবে আগে বিছনাকান্দি ঘুরে আসাটাই আপনার জন্যে ভালো হবে।

#কিভাবে ঘুরবেন : সিএনজি বা লেগুনা যাই ঠিক করেন, প্রথমে বিছনাকান্দি দেখার জন্যে রওনা হয়ে যান। বিছনাকান্দি যেতে হলে আপনাকে যেতে হবে হাদারপাড়। সিলেট থেকে হাদারপাড় যেতে দেড় থেকে দুই ঘন্টার মত লাগবে। হাদারপাড় বাজারে এসে নৌকা রিসার্ভ করে বিছনাকান্দি ও পান্তুমাই ঝর্ণা যেতে হবে। হাদারপাড় বাজারের কাছেই নৌকা ঘাট আছে, সেখানে আপনাকে আবার দামাদামি করে নৌকা ঠিক করতে হবে। এক নৌকা দিয়েই বিছনাকান্দি দেখে তারপর পান্তুমাই ঘুরে আসতে পারবেন। আর চাইলে পান্তুমাই না গিয়ে শুধু বিছনাকান্দি ঘুরতে পারবেন। বিছনাকান্দি ও পান্তুমাই একসাথে ঘুরে দেখার জন্যে নৌকা ভাড়া লাগবে ১০০০-১৫০০ টাকা। আর শুধু বিছনাকান্দি হলে ৬০০-৮০০ টাকায় পেয়ে যাবেন। তবে আবারও সেই একই কথা, দামাদামি করতে জানতে হবে আপনার। পিক সিজনে ভ্রমণকারীদের চাপ বেশি থাকলে অনেক বেশি টাকা চাইবে।

হাদারপার থেকে নৌকা নিয়ে প্রথমে বিছনাকান্দি ঘুরতে যান। বিছনাকান্দি যেতে ৩০-৪০ মিনিট সময় লাগবে। আর অবশ্যই মনে রাখবেন আপনার হাতে সময় স্বল্প। বিছনাকান্দিতে আপনি ৪০-৫০ মিনিটের বেশি সময় দিলে অন্য জায়গায় যাওয়ার সময়ে টান লেগে যাবে। বিছনাকান্দি ঘুরে দেখে এইবার নৌকা নিয়ে পান্তুমাই ঝর্ণা দেখতে চলে যান। যেতে সময় লাগবে প্রায় ১ ঘন্টা। পান্থুমাই ঝর্ণা ভারতে থাকার কারণে আপনাকে দূর থেকেই দেখতে হবে। তবে চাইলে সেখানে ছোট ডিঙ্গি নৌকা নিয়ে কিছুটা কাছে যেতে পারবেন। বর্ডার এলাকা তাই সাবধানে থাকবেন। পান্তুমাই ঝর্ণা দেখার জন্যে ৩০-৪০ মিনিটের বেশি সময় নিবেন না। ঝর্ণা দেখা শেষ করে ফিরে আসুন হাদারপাড় বাজারে।

হাদারপাড় বাজারে দুপুরের খাবার খেয়ে নিন। এইখানে খুব ভাল না হলেও মোটামুটি মানের কিছু স্থানীয় খাবার হোটেল আছে। ভাত, মাছ, মুরগি, সবজি দিয়ে খেয়ে নিতে পারবেন। খাওয়া শেষ করেই এইবার রওনা হয়ে যান রাতারগুলের জন্যে। মাথায় রাখুন রাতারগুল দেখার জন্যে দুপুর ২টার মধ্যেই রওনা হতে হবে হাদারপার থেকে। আপনার বিছনাকান্দি ঘুরে দেখার পর যদি দেখেন সময় মিলবেনা রাতারগুল যাবার তাহলে পান্থুমাই ঝর্ণা বাদ দিয়ে শুধু বিছনাকান্দি ঘুরেই চলে আসুন।

হাদারপাড় থেকে রাতারগুল যেতে প্রায় ঘন্টাখানে সময় লাগবে। রাতারগুলে বেশ কয়েকটি পয়েন্ট আছে, সবচেয়ে ভালো হবে চৌরঙ্গী ঘাটে চলে আসলে। এইখানে তুলনামূলক নৌকা ভাড়া কম। চৌরঙ্গী ঘাটে ২ ঘন্টা ঘুরার জন্যে নৌকা পাবেন ৭৫০-৮০০ টাকা ভাড়ায়। রাতারগুল জলাবন ঘুরে দেখে এইবার আবার সিলেট ফিরে আসুন আপনার গাড়িতে করে। রাতারগুল থেকে যেন সন্ধ্যা হবার আগেই রওনা হয়ে যেতে পারেন সেইদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। সিলেট ফিরে এসে রাতের খাবার খেয়ে এইবার আপনার বাড়ির পথে ফিরে যান আপনার রাতের বাস কিংবা ট্রেনে।

ভ্রমণ খরচ

একদিনে রাতারগুল, বিছনাকান্দি ও পান্থুমাই ঘুরতে কত খরচ হবে তা কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করবে। আপনি কোন জায়গা থেকে যাবেন, কিভাবে যাবেন, কত জন যাবেন এবং কিভাবে কোথায় কত টাকা খরচ করবেন। খরচ সম্পর্কে একটা ধারণা দেয়া যাক। মনে করেন আপনারা ৪জন ঢাকা থেকে মোটামুটি বাজেটে ঘুরতে চান তাহলে খরচ হবে –

  • ঢাকা থেকে সিলেট ট্রেনে শোভন চেয়ার ভাড়া ৩২০ টাকা জনপ্রতি।
  • শেয়ার করে সকালের নাস্তা জনপ্রতি ৬০ টাকা
  • সিলেট থেকে ৪ জনের জন্যে সিএনজি নিলে সারাদিনে জনপ্রতি ভাড়া ৩৫০ টাকা।
  • বিছনাকান্দি ও পান্থুমাই ঘুরার জন্যে জনপ্রতি খরচ ৩০০ টাকা।
  • শেয়ার করে দুপুরের খাবার জনপ্রতি ১০০ টাকা।
  • রাতারগুল ঘুরার জন্যে জনপ্রতি নৌকা ভাড়া ২০০ টাকা।
  • রাতের খাবার শেয়ার করে জনপ্রতি ১২০ টাকা।
  • ঢাকায় ফিরে আসতে ট্রেনে হলে ৩২০, বা নন এসি বাসে ৪৫০ টাকা।
  • এক্সট্রা খরচ জনপ্রতি ১৫০ টাকা।

তাহলে ৪ জনের গ্রুপের জন্যে জনপ্রতি খরচ হচ্ছে.১৯৫০ টাকা। এই খরচ শুধুমাত্র ধারণা দেবার জন্যে। এই খরচের চেয়ে কম খরচেও সম্ভব আবার এরচেয়ে আরও একটু বেশি খরচ ও হতে পারে। আপনার গ্রুপ যদি ৫ জনের হয় তাহলে দেখা যাবে খরচ আরও কমে যাচ্ছে আবার গ্রুপ ৩ জনের হলে খরচ আবার বেড়ে যাবে।

খরচ কমানোর উপায় ও ভ্রমণ টিপস

বেশ কিছু টিপস কাজে লাগালে আপনার খরচ কম হবে।

  • চেষ্টা করুন ৫ জন অথবা ১০ জন অথবা ১৫ জন এমন ভাবে দলগত ভাবে ভ্রমণ করতে।
  • দুপুরের খাবার কিংবা সকালের নাস্তা যে কোন খাবার খেতে শেয়ার করে খান।
  • পর্যটকের চাপ কম এমন সময় ঘুরতে যান। যেমন শুক্র ও শনিবার ছাড়া অন্য দিন।
  • সিএনজি ও নৌকা ভাড়ার ক্ষেত্রে দরদাম ভাল মত করতে হবে।
  • সিলেট যাওয়ার ক্ষেত্রে লোকাল বাস অথবা নন এসি বাস আর ট্রেনের ক্ষেত্রে শোভন এ গেলে খরচ কম হবে।
  • আপনারা যদি ৩ জনের কম থাকেন তাহলে অন্য কোন ছোট গ্রুপের সাথে সিএনজি/নৌকা শেয়ার করে ভাড়া করতে পারেন।
  • একদিনে ৩টি জায়গা ভ্রমণের জন্যে সময়ের দিকে খেয়াল রাখতে হবে।
  • যদি কোন কারণে বিছনাকান্দি যেতে সময় বেশি লাগে তাহলে পান্তুমাই লিস্ট থেকে বাদ দিন।
  • গাড়ি ভাড়া এবং নৌকা ভাড়া করার সময় এমনভাবে কথা বলুন যেন তারা মনে করে আপনি সবকিছুর ভাড়া সম্পর্কে অবগত আছেন।

সম্বন্ধে তুষার মাহমুদ

এছাড়াও পড়ুন

cox'z bazar sea beach

ঢাকা থেকে সহযেই কক্সবাজার যাওয়ার উপায়.!

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন স্থানের নাম কক্সবাজার (Cox’s Bazar)। শুধু বাংলাদেশ নয়, পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

18 − seven =