নীড় / বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / কি করলে আমাদের মস্তিস্ক তীক্ষ্ণ হয়ে উঠবে?

কি করলে আমাদের মস্তিস্ক তীক্ষ্ণ হয়ে উঠবে?

আমাদের মস্তিস্কের যেই ডান আর বাম এ দুইটি ভাগ রয়েছে এদের কার্যকলাপ হলো বা দিকের মস্তিস্কের আর ডান দিকের মস্তিকের আলাদা আলাদা স্বভাব আর বৈশিষ্ট রয়েছে। ডান দিকের যেই অংশ টা রয়েছে তা নিয়ন্ত্রন করে আবেগ কল্পনা, ঘুম, বিশ্বাস, স্বপ্ন আধ্যাতিক চিন্তা ভাবনা সৃজনশিলতা ইত্যাদি। যেমন ধরুন আপনি একটি গান শুনে আবেগ পুর্ন হয়ে যাচ্ছেন বা কারো কান্ন দেখে নিজেও দুঃখ বোধ করছেন এধরনের কাজে ডান মস্তিস্ক ব্যাবহৃত হয়। আর বাদিকের মস্তিস্ক ব্যাবহৃত হয় কোনো হিসাব-নিকাস, ভাষা বুঝতে পারা, তালিকার ছক তৈরি করে নেওয়া ভেবে নেওয়া,যুক্তি, লেখালেখি, বৈজ্ঞানিক দক্ষতা এগুলোর ওপর ব্যবহার হয়ে থাকে। আইনস্টাইন এর এই বৈজ্ঞানিক দক্ষতা যুক্তি এই অংশ টি যে প্রান্তে থাকে অর্থাৎ বা পাশের মস্তিস্ক টি সাধারন মানুষের তুলনায় ৩৬ শতাংশ বেশি ছিলো। কেননা তিনি সব সময় প্রশ্ন করতেন নিজেকে। তাও সেগুলো ছোটখাটো প্রশ্ন। দুই আর দুই যোগ করলে কেনো ৪ হয়। ৫ ও তো হতে পারতো। কেনো ৪ হবে এধরনের প্রশ্নেই তিনি সারাদিন ব্যাস্ত থাকতেন। ফলে পরিক্ষার খাতায় তাকে পেতে হয় লাল কালিতে লেখা Fail শব্দ টি। এজন্য তার guardian কেও ডাকা হয় স্কুলে। এবং সর্বশেষে তাকে বের করে দেওয়া হয় স্কুলে। কিন্তু তারপরেও তার চিন্তা ভাবনার পার্থক্য ঘটে না। একদিন তিনি এরকম চিন্তা করতে করতেই বাসা থেকে বের হয় এবং এতোটায় গভির চিন্তা করতে করতে থাকেন যে অপ্রত্যাশিত ভাবে তিনি তার বাসার address টায় ভুলে যান। বাধ্য হয়ে আশেপাশের মানুষজনকে তিনি প্রশ্ন করতে থাকেন আমার বাসা কোথায়। সেইদিন সবাই তাকে পাগল বলেছিলো। কিন্তু সেই পাগল টিই বদলে দিলো বিজ্ঞানের গতিপথ। আমাদের পৃথিবির প্রত্যেক টা বস্তুই অনু আর পরমানু দ্বারা গঠিত। আমরা যে পানির একটি কনা দেখি এটাও হাজার হাজার কোটী পরমানু দ্বারা গঠিত। এই আইন স্টাইন ই বের করলেন যে বিশেষ একটি পরমানুর আইসোটোপ এর সাথে আরেকটি আইসোটোপ এর ধাক্কা লাগলেই পুরো পৃথিবি ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। এর জন্য শক্তির একটি সুত্র দিয়ে গেলেন তা হলো সেই বিখ্যাত E=Mc2। যেই পারমানবিক বোমাটি হিরোশিমাতে ফেলা হয়। আজো শেখানে গাছপালা জন্মায় না।

ভাবতে অবাক লাগে তাইনা ? যে আমাদের শরিরেই এই চামড়াতেই যে কনা আছে তার মতন এরকম ছোটো খাটো কনার ভেতরে এতোশক্তি যে পুরো বিশ্ব ধ্বংস করে দেওয়া সম্ভব। তাই মস্তিস্ক বৃদ্ধির জন্য শুরু করুন প্রতিদিন নিজের মস্তিস্ক চর্চা। এটা হতে পারে brain games খেলা বা হতে পারে অংক সমাধান বিভিন্ন কিছু।

Brain Games – মস্তিস্ক চর্চাঃ আপনার কাছে এমন একটি ফ্রাইংপ্যান আছে যা দিয়ে এক সঙ্গে দুইটি রুটি ছেকা যায়। একটি রুটির এক পিঠ ছেকতে সময় লাগে ১ মিনিট। যদি একটি রুটির দুই পিঠই ছেকা যায় তবে রুটিটি সম্পুর্ন ছেকা হবে। তাহলে ৩ মিনিটে কিভাবে ৩টি রুটিই সম্পুর্ন ছেকা যাবে ?

Brain Games – মস্তিস্ক চর্চা :

প্রতিবারের মতন এবারো বেশ জাকিয়ে শীত পড়েছে। তুষারপাত হওয়াটা প্রতিদিনের অভ্যাস। এমনই দিনে ঘটে গেলো একটি দুর্ঘটনা। ইমন সাহেব খুন হন তার বাসাতে। ঘটনার তদন্ত করতে পুলিশের উপস্থিতি সেখানে। পুলিশ বাসার প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদ করলেন

কাজের মেয়েঃ আমি ঘর পরিস্কার করছিলাম
ইমন সাহেবের ছেলেঃ আমি টিভি দেখছিলাম
বাটলারঃ আমি সুইমিংপুল পরিস্কার করছিলাম
ইমন সাহেবের স্ত্রীঃ আমি রান্না করছিলাম

কিছুক্ষন চিন্তা ভাবনার পর এবার পুলিশ ধরে নিয়েগেলো আসল খুনিকে। প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে পুলিশ খুনিকে ধরে ফেললেন?

Brain Games – মস্তিস্ক চর্চা :  এইটি অধিকাংশ সময়েই মানুষ ভুল করে থাকে। দেখি আপনারা করেন কিনা।  ৫টি মেশিন ৫ মিনিটে ৫টি T-Shirt তৈরি করে। তাহলে ১০০ টি মেশিন ১০০টি T-Shirt কত মিনিটে তৈরি করবে?

সম্বন্ধে প্রেমা

এছাড়াও পড়ুন

ভূমিকম্প শনাক্তে ব্যবহার করা যাবে সাবমেরিন কেবল

একদিন যা ছিল অধরা, বিজ্ঞান তা ধরে দিচ্ছে। এক প্রযুক্তি আরেক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পথ খুলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three + thirteen =