নীড় / মনীষীর জীবনী / ৪১. পাবলো পিকাসো
pablo-picasso

৪১. পাবলো পিকাসো

       ৪১.পাবলো পিকাসো
 (১৮৮১-১৯৭৩)

২৫শে অক্টোবার ১৮৮১ স্পেনের ভূমধ্যসাগরীয় দক্ষিণ উপকূলে কাতালান প্রদেশের মালাগা শহরে পিকাসোর জন্ম । বাবা ডন জোস রুইজ ব্লাসকো ছিলেন আর্ট স্কুলের শিক্ষক এবং শহরের একটি মিউজিয়ামের কিউরেটর।বিয়ের এক বছর পরেই পিকাসোর জন্ম হয়। ডন জোস ছেলের নাম রাখলেন পাবলো নেপোমুসেনো ক্রিসপিনায়নো দ্য লা সাস্তিমাসসিমা ত্রিনিদাদ রুইজ পিকাসো।

এই বিশাল নাম ধরে ডাকা কারোর পক্ষেই  সম্ভব ছিল না।তাই সংক্ষেপে ডাকা হত পাবলো রুইজ।রুইজ ছিল তার পিতার পদবি,পিকাসো মাতৃকুলের পদবি।বড় হয়ে পিতৃকুলের পদবি বর্জন করে শিল্পি নিজের নাম রাখলেন পাবলো পিকাসো। এই নামেই আজ তিনি জগৎবিখ্যাত।ছবি আঁকার হাতেখড়ি তার বাবার কাছে।শিশু বেলা থেকেই পিকাসোর মধ্যে ছিল ছবির প্রতি অনুরাগ।শোনা যায় যখন তিনি তিন বছরের শিশু, একটা পেনসিল কিম্বা কাঠকয়লা পেলে কাগজ কিম্বা মেঝের উপরেই ছবি আঁকতে আরম্ভ করে দিতেন।ছাত্র অবস্থাতেই তার মধ্যে শিল্প চেতনার বিকাশ করতে ঘটতে থাকে।পিকাসোর যখন চেীদ্দ বছর বয়সে কাবা মালাগা ছেড়ে এলেন বার্সিলোনাতে।স্থানীয় আর্ট  স্কুলের অধ্যাপক হিসাবে যোগ দিলেন ডন জোস।বাবার স্কুলেই ভর্তি হলেন পিকাসো।অল্পদিনের মধ্যেই তার প্রতিভার বিকাশ লক্ষ্য করা গেল।বার্সিলোনায় ছাত্র অবস্থায় তিনি গভীরভাবে অনুধাবন করেছিলেন শিল্প জগতে নতুন ধারার প্রবক্তা ভ্যান গক,তুলুস লোত্রেক,পল গ্যগা, সেজান প্রভৃতির একসপ্রেশনিজম বা প্রকাশবাদকে।লক্ষ্য করতেন তাদের চিত্রকলার বৈশিষ্ট্য বৈচিত্র্য।

তিন বছর বার্সিলোনার আর্ট  স্কুলের ছাত্র হিসাবে  থাকার পর ১৮৯৭ সালে তিনি মাদ্রিদের রয়াল এ্যাকাডেমিতে ভর্তি হলেন। এই সময়ে কিছু তরুণ শিল্পী ছবির প্রদর্শনীতে আয়োজন করেছিলেন। এতে বহু প্রতিষ্ঠিত শিল্পীরাও যোগ দিলেন। সকলকে বিস্মিত করে এখানে শ্রেষ্ঠ শিল্পীর পুরস্কার পেলেন পিকাসো। তার জীবনের এটাই প্রথম সাফল্য।

১৯০০ সালে তিনি স্থির করলেন লন্ডন যাবেন।স্পেনের পরিমন্ডল শিল্পের অনূকূল ছিল না। পথে কয়েকদিনের জন্যে নামলেন প্যারিসে। উদ্দেশ্য ছিল শিল্পের তীর্থক্ষেত্রে প্যারিসের শিল্পকলার সাথে পরিচিত হওয়া।

মুগ্ধ হয়ে গেলেন পিকাসো। তার মনে হল স্পেন নয়, ইংল্যান্ড নয় প্যারিসেউ হবে তার শিল্প সাধনার কেন্দ্রভূমি। প্রধানত আর্থিক কারণে প্যারিসে ঘড় বাধতে পারলেন না। এর পরবর্তী চার বছর তিনি কখনো প্যারিস কখনো বার্সিলোনয় কাটিয়েছেন।

১৯০০ সালে তার প্রথম ছবি প্যারিসে প্রদর্শিত হল “The Moulin de la Galettle” একটি কফি হাউসের দৃশ্য। এতে পিকাসোর প্রতিভা বিকশিত না হলেও ছবির বলিষ্ঠাতা অনেকের দৃষ্টি আর্কষণ করল। এই প্রদর্শনীতে কোন ছকি বিক্রি হল না।

পিকাসোর শিল্পী জীবনের প্রথম পর্যায়ে যেতে পারে ১৯০১ থেকে ১৯০৪। এই সময়টাকে নাম দেওয়া হয়েছে ব্লু পিরিয়ড(Blue Period) । সমস্ত ছবি ছুড়ে থাকত নীল রং। তার কাছে নীল রং ছিল জীবনের বিষণতা আর বেদনার প্রতীক।

এরই মধ্যে কিছুদিনের জন্যে মাদ্রিদে এসে কয়েক জন তরুণ বন্ধুর বছর সগযোগিতায় প্রকাশ করলেন একটি পত্রিকা ছবির “ Young Art” । পিকাসো হলেন এই পত্রিকার সম্পাদক। মাদ্রিদে তার একটি ছবির প্রদর্শনীও হল।এই সব ছবিগুলা ছিল প্যাষ্টেলে আঁকা। কিছুদিন পর ফিরে এলেন প্যারিসে। ছবিতে নলি রঙের ব্যবহারে পরিবর্তন এবার দেখা গে গোপাল রং। যাকে বলা হয় pink period। ১৯০৩ সাল থেকেই তার ছবির মধ্যে এল গাঢ় কালো সীমারেখা।

সৌভাগ্যক্রমে খুব অল্পদিনের মধ্যেই তার ছবি শিল্পরসিক মহলের দৃ্ষ্টি আর্কষণ করল। তাই দেখা যায় সে সময়ে শিল্পীরা নিারুণ যন্ত্রনা আর আর্থিক কষ্টের মধ্যে সংগ্রাম করে চলেছেন তখনই তিনি ছবির ক্রেতা পেতে আরম্ভ করেছেন। তার বেশ কিছুর ছবি বিক্রি হতেই তিনি স্থায়ীভাবে এসে প্যারিসে বাসা বাধলেন (১৯০৪)। কিন্তু ফরাসী সরকারের তরফে বহুবার তাকে নাগরিকত্ব নেওয়ার জন্যে অনুরোধ করা সত্ত্বেও তিনি ফরাসি নাগরিক হননি।স্পেনের সন্তান হিসাবে নিজের পরিচয় দিতে গর্ববোধ করতেন।

তার প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষা পর্বের চূড়ান্ত পরিণতি দেখা গেল ১৯০৭ সালে আকা লে ডিময়সেলস দ্য এডিগনন ছবিতে (Leo Demoiselles d Avigaon) । তার কিউরিজম ধারার প্রথম সূত্রপাত হয় এই ছবিতে।

পিকাসোর এভিগনন ছবিটি ১৯০৭ সালে আঁকা হলেও তা জনসাধারণের সামনে প্রথম প্রদর্শিত হয় ১৯৩৭ সালে।কারণ এই ছবির আঙ্গিককে সাধারণ মানুষ কতখানি গ্রহণ করতে পারবে সে বিষয় পিকাসো ছিলেন দ্বিধাগ্রস্ত।

কিন্তু পিকাসো নিজের পথ থেকে সামান্যতম সরে আসেননি।১৯০৭ থেকে ১৯১১ তিনি ধারাবাহিকভাবে তার ছবির মধ্যে একটু একটু করে পরিবর্তন নিয়ে আসতে থাকেন।ছবির ভাষা হয়ে  উঠতে থাকে জটিল থেকে আরো জটিল।ছবির মধ্যে জীবনের স্বাভাবিক প্রকাশ একদম মুছে গেল, জন্ম নিল আধুনিক চিত্রশিল্পকলার। এই সময় কিছু বিখ্যাত ছবি ফরের ডিশ (১৯০৯)। গীটার হাতে মহিলা (Ma Jolie)।

পিকাসো এবং ব্রাক এর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে প্রচারিত হতে আরম্ভ করল কিউবিক চিত্রকলা। একে বলা হত কিউবিস্ট কলেজ (Cubist college) এই সময় পিকাসো সবচেয়ে বিখ্যাত ছবি হল (still life with chair caning (1911-1912)। ১৯১২ সালে তার কিছু কিউবিস্ট ছবির লন্ডনে  এক প্রদর্শনী হয়। তখন ছবিগুলির মূল্য ছিল ২ থেকে ২০ পাউন্ড। বর্তমানে সেই সব ছবিগুলির মূল্য এক লক্ষ পাউন্ডের চেয়ে বেশি।

পিকাসোর জীবনের প্রথম নারী ফেরানডে অলিভিয়ের।১৯০৪ সালে পিকাসো যখন আত্মপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করেছেন,সেই সময় অলিভিয়ের সাথে পরিচয় । অলিভিয়ের সৌন্দর্য ব্যক্তিত্ব তাকে মুগ্ধ করেছিলেন। দীর্ঘ ৯ বছর দুজনের মধ্যে ছিল গভীর অন্তরঙ্গ সম্পর্ক । বিবাহ সম্পর্কে আবদ্ধ না হলেও দুজনে থাকতেন স্বামী-স্ত্রীর মত।

১৯১৭ সালে একটি রাশিয়ান ব্যালে দল নৃত্য অনুষ্ঠানের জন্য প্যারিস এসেছিল পিকাসোর খ্যাতির কথা শুনে তাকে শিল্পী দলের পোশাকের পরিকল্পনা এবং মঞ্চের দৃশ্যপট আঁকবার দায়িত্ব দেওয়া হল। এই দলের প্রধান শিল্পী ছিলেন ওলাগা কোকোলতা।দুজনে পরস্পরের প্রতি আকৃষ্ট হলেন।প্যারিসের অনুষ্ঠান শেষ করে দশটি গেল মাদ্রিদ এবং বার্সিলোনায়। পিকাসোও এই দলের সঙ্গী হলেন। স্পেনে থাকার সময়েই ওলাগা বিবাহ করেন পিকাসো। বিবাহের এক বছর পরেই পিকাসোর প্রথম পুত্র সন্তান জন্মগ্রহণ করল।

বিয়ের অল্প কিছুদিন পরেই সন্ত্রীক প্যারিসে ফিরে এলেন পিকাসো।প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ শেষ হয়েছে, পিকাসোর সবচেয়ে প্রিয় বন্ধু কবি এ্যাপোনিযার আহত হয়ে মারা গিয়েছেন। এই সংবাদ যখন পিকাসোর কাছে এসে পৌছাল, তিনি আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আত্মপ্রতিকৃতি আঁকছিলেন। এইভাবে পিকাসো নিজের বহু ছবি একেছেন।বহুর মৃত্যুতে এতখানি বিহ্বল হয়ে পড়লেন,সেই ছবি আর সমাপ্ত করেননি এবং এর পর জীবনে আর কোন দিনই নিজের ছবি আঁকেননি।

বন্ধুর স্মৃতিতে তিনি আঁকলেন তার একটি বিখ্যাত ছবি The three Dancers বা তিন নর্তকী। এতে ফুটে উঠেছে মানুষের যন্ত্রণার এক তীব্র বিলাপ।

মানবিক যন্ত্রণার এই রুপ পরবর্তীকালে বারবার নানাভাবে দেখা দিয়েছে তার ছবিতে। এক একটি ছবিতে ফুটে উঠেছে খন্ড-বিশ্বন্ডিত দেহ,ছিন্ন মুখ উৎপাটিত চোখ হত। তিনি দেখেছিলেন মানুষের উপরে শক্তিমানের অত্যাচার-অত্যাচারিত পীড়িত মানুষের যন্ত্রণার করুণ প্রতিচ্ছবি। এরই মৃর্ত প্রকাশ ঘটেছে “গোয়ার্নিকা ছবিতে”

১৯৩৭ সালে স্পেনের অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষ বিদ্রোহ ঘোষণা করল। দেশে শুরু হল গৃহযুদ্ধ ।১৯৩৯ সালে শাসকের বোমারু বিমান স্পেনের ছোট্ট শহর গোয়ের্নিকার উপর বোমা বর্ধন করল। এই ঘটনার ক্ষোভে দুঃখে ফেটে পড়লেন পিকাসো।

স্পেনের সরকারের তরফে তাকে বহু সম্মান খেতাব দেওয়া হয়েছিল। তিনি ছিলেন মাদ্রিদ আর্ট  কলেজের ডিরেকটার ।সব কিছুকে ঘৃণায় প্রত্যাখ্যান করে তিনি অত্যাচারী শাসকের বিরুদ্ধে তুলি ধরলেন।তার ছবি গোয়ার্নিকা হয়ে উঠল এক জল্বন্ত প্রতিবাদ । ছবিটি ১১ ফুট চওড়া, লম্বায় ২৬ ফুট। এই বিশাল ছবিটি আঁকতে তার সময় লেগেছিল মাত্র সাত সপ্তাহ। কালো সাদা ধূসর রঙ্গের আঁকা এই ছবি আধুনিক চিত্রশিল্পের জগতে এক অনণ্য সৃষ্টি।

১৯২৭ সালে পিকাসোর জীবনে এল আরেক নারী। নাম মারি খেয়েসা ওয়ালটার । মারি ছিল পিকাসোর ছবির মডেল । অল্পদিনের মধ্যেই দুজনের সম্পর্ক গড়ে উঠল।চরম ঘৃণায় মধ্যেই ১৯৩৫ সালে দুজনের বিচ্ছেদ ঘটে ঘটে ঘটে গেল।পরের বছর মারির একটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে।মারি ছিল অসাধারণ সুন্দরী । পিকাসোর ছবিতে বার বার কামমীয় নারীমূর্তি হিসাবে দেখা গিয়েছেন মারিকে কন্যা সন্তান জন্মবার পরেই দুজনের সম্পর্ক  ছিন্ন হয়ে যায় তাছাড়া পিকাসোর জীবনের তার প্রয়োজন ফুরিয়ে গিয়েছিল । কারণ সেই সময় তর সঙী হয়েছে ষুগোশ্লাভ ফটোগ্রাফার ডোর  মা ।ইতিমধ্যে বিশ্বযুদ্ধ হয়ে এসেছিল। তিনি ফরাসী কমিউনিস্ট মাটিতে যোগ দিলেন।

মস্কোর সাথে কোন সম্পর্ক গড়ে না উঠলেও ফরাসী কমিউনিস্ট পার্টির সাথে তার সম্পর্ক ছিন্ন হয়নি। কমিউনিস্ট পার্টির তরফে যে আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন বসেছিল তাতে তিনি পর পর তিন বছর যোগদান করেছিলেন। প্যারিসে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় শান্তি সম্মেলনে পিকাসো লিথোগ্রাফ শান্তির প্রতীক হিসাবে সাদা পারবার ছবি আঁকেন।উত্তরকালে এই ছবিকেই শান্তি প্রতীক হিসাবে সমস্ত পৃথিবীর মানুষ গ্রহণ করেছে।

শিল্পের ইতিহাস ছবি বিক্রি করে পিকাসো যে পরিমান অর্থ  পেয়েছেন তার এক শতাংশও কেউ পায় নি। তার ছবির বাজার ছিল সমস্ত পৃথিবীর জুড়ে। ইউরোপ আমেরিকার ধনী মানুষেরা তার একটি ছবির জন্য লক্ষ মুদ্রা ব্যয় করতে সামান্যম দ্বিধা করত না। ছবির বিক্রির সময় পিকাসো পাকা ব্যবসাদারুদেরও লজ্জা দিতেন।

১৯৬৮ সালে ৮৭ বছর বয়েসে তিনি করলেন এক বিস্ময়কর কাজ “ Tour de Force” । দীর্ঘ সাত মাস ধরে তিনি ৩৪৭টি এনগ্লেভিং এর মধ্যে দিয়ে মানুষের জৈব কামনাকে চিত্রিত করেছেন। এর অনেক ছবির মধ্যেই ফুটে উঠেছে এক জটিল দুর্বোদ্যতা।

নিজের জীবিতকালেই পিকাসো হয়ে উঠেছিলেন এক জীবন্ত কিংবন্তী।চিত্রশিল্পের ক্ষেত্রে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ সংগ্রহশালা প্যারিসের লুভার মিউজিয়াম।১৯৫৫ সালে এই মিউজিয়ামে পিকাসোর সমস্ত শিল্পকীর্তির এক বিরাট প্রদর্শনী হয়েছিল। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিল্প অনুরাগীর এই প্রদর্শনীতে এসেছিলন। শুধু তার সৃষ্টি উৎকর্ষতা নয়, সৃষ্টির পরিমাণ দেখলেও বিস্ময়ে অভিভূত হতে হয়। প্রায় ১৫০০০ ক্যানভাস ১০০০০ লিখো প্রিন্ট.৩০০ ভাস্কর্য  সিরামিক মাটির কাজ-এছাড়াও প্রায় ৩৫০০০ ছোট ছোট ছবি।

১৯৭০ সালে তার সমস্ত জীবনব্যাপী শিল্পকর্ম বার্সিলোনার মিউজিয়ামকে দান করে যান।মাতৃভূমির প্রতি এই ছিল তার শেষ শ্রদ্ধার্ঘ ।

১৯৭৩ সালের ৮ই এপ্রিল।ফ্রান্সের মুগা শহরে পিকাসোর শিল্পজীবনের পির সমাপ্তি ঘটল।প্রকৃত পক্ষে পিকাসোর জীবনেই ছিল এক বিরাট শিল্প।মৃত্যুতেও যে শিল্পের ক্ষয় হয় না।

সম্বন্ধে সোনিয়া পারভিন

এছাড়াও পড়ুন

৯৭. সত্যজিৎ রায়

৯৭. সত্যজিৎ রায় [১৯২১-১৯৯২] বিশ্ববরেণ্য জাপানী চলচ্চিত্র পরিচালক আকিরা কুরোসাওয়া তাঁর সম্পর্কে বলেছিলেন, “এই পৃথিবীতে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fifteen − 7 =