নীড় / জেনে নিন / সফল ব্যক্তিদের চিন্তাধারা
success

সফল ব্যক্তিদের চিন্তাধারা

“সফলতা” কে না চাই,সবাই চাই সফল হতে।কিন্ত কেউ সফলতা পায় ,কেউ বা হতাশ হয়।আমরা অনেক সফল ব্যক্তির জীবন কাহিনী জানি , তারা কিভাবে সফল হয়েছে তাও শুনেছি বা দেখেছি. কিন্তু আমরা কেন পারি না, এই প্রশ্ন সবার মনে?

সফলব্যক্তিদের কিছু  চিন্তাধারা ‍আমাদের সাহায্য করবে সফল হতে।

নিজেকে কখনোই থামানো যাবে না:  নিজেকে কখনো থামিয়ে রাখা যাবে না । লক্ষ্যে পৌঁছাতে হলে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। অনেক পরিশ্রম হয়ে গেছে? আর পারছেন না?  বিশ্রাম নিন, কিন্তু থেমে থাকবেন না। নিজের উপর বিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যান, সফলতা আপনার কাছে ধরা দিবেই।

ভুল থেকে নতুন পরিকল্পনা চালিত করা: ভুল করেছেন বলে সব কিছু ছেড়ে দিতে হবে ! এটা চিন্তা করবেন না , ভুল আপনাকে সঠিক পথে নিয়ে যাবে। পরিকল্পনাকে নতুন ভাবে গড়ে তুলুন , যে ভুল আগে করেছিলেন সেটা যেন আবার না হয় খেয়াল করুন। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন পরিকল্পনা করুন।

ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা: অনেক সময় দেখা যায় লক্ষ্যের অনেক আছে এসেও ব্যর্থ হতে হচ্ছে।তখনি আমরা বেশি হতাশ হয়ে পড়ি।অনেক সময় হতাশ হওয়ার কারণে অনেক বড় দূর্ঘটনা ঘটে যায়। কিন্ত ব্যর্থতা কেন এলো তা নিয়ে চিন্তা করতে হবে , হতাশ হয়ে পড়লে চলবেনা। ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিতে হবে,ব্যর্থতার কারণগুলো জানতে হবে এবং সমাধানের জন্য কাজ করতে হবে।

স্বপ্ন নিয়ে প্রতিমূর্হূতে চিন্তা করা: আপনার স্বপ্নটা নিয়ে আপনাকেই ভাবতে হবে। নিজের স্বপ্নকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে। আপনি ঘুমানোর আগে স্বপ্ন পূরণে কি কি বাঁধা থাকতে পারে তা নিয়ে চিন্তা করুন, বাধাঁ গুলো অতিক্রম করতে পারলে,      কি কি করতে পারবেন তা নিয়ে ভাবুন, আপনার অবচেনত মন তার উত্তর খুজতে থাকে। এই জন্য আমেরিকার বিখ্যাত উদ্ভাবক “Thomas Edison” বলেছেন, “Never go to sleep without a request to your subconscious”

নির্ভীক হওয়া: সফলতার পথ কখনো মসৃণ হয় না ।সফলতার পথে বাঁধা আসবেই কিন্তু ভয় পেলে চলবে না। ভয়কে জয় করতে হবে।যখন কোনো অনিশ্চায়তার পথে আমরা পা বাড়াই তখনই আমাদের মনে ভয় জমা বাধঁতে থাকে। অনেক ধরনের দুশ্চিন্তা আমাদের পথে বাঁধা হয়ে দাড়ায়।সাধারণ মানুষ কোনো ধরনের অনিশ্চায়তা বা দুশ্চিন্তা পছন্দ করে না।তাই সাফল্যের দাড় প্রান্তে পৌঁছাতে হলে নিজেকে নির্ভীক হতে হবে।

শেখার পরিধি বৃদ্ধি করা: আপনার ডিগ্রি হয়ে গেছে? মনে করতে পারেন আপনার আর শেখার কিছু নাই।আপনার ধারণা পাল্টাতে হবে। শেখার কোনো শেষ নাই ,সারা বিশ্বের সফল ব্যক্তিরা কোনো না কোন বিষয়ে জানতে থাকে । অপর দিকে আপনাকে একাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি অন্য বিষয়ে দক্ষ হতে হবে।ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয়েও জ্ঞান অর্জন করতে হবে।শেখার কোনো বয়স বা সময় বাঁধা থাকে না।

ছোট ছোট সাফল্যের মর্ম উপলব্ধি করা: ছোট থেকে ছোট সাফল্য অর্জনের মর্ম উপলব্ধি করতে হবে।কোন সাফল্যকে ছোট করে দেখা যাবে না । মনে রাখতে হবে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পানি সমুদ্র সৃষ্টি করে, তেমনি ছোট ছোট সাফল্য আপনার লক্ষ্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে।ছোট ছোট সাফল্যের জন্য নিরলস পরিশ্রম করতে হবে।

নিজেকে ভিন্নভাবে গড়ে তোলা:  নিজেকে ভিন্নভাবে গড়ে তুলুন।নিজেকে বুঝতে হবে, আপনি কোন কাজে আত্মতৃপ্তি অনুভব করেন সেটা চিহ্নিত করুন। মানুষের সাথে তুলনা বন্ধ করতে হবে। ধৈর্য্যশীল হবেন, নিজেকে উৎসাহিত করবেন , নিজের উপর আস্থা রাখবেন । আস্থা আর কঠোর পরিশ্রম আপনাকে সফলতা এনে দেবে।

উপরোক্ত বিষয় ছাড়াও আরো অনেক বিষয় আছে যা আপনাকে সফলতার পথ দেখাবে। প্রচুর বই পরুন,বই মানুষের ভেতরকার জড়তা দূর করে নিজের ভেতরের সুপ্ত প্রতিভাকে বিকাশ করতে সাহায্য করে।তাই আসুন নিজেরা পরিবর্তীত হয় এবং অন্যকে কে ও পরিবর্তীত হতে উৎসাহিত করি।

সম্বন্ধে সোনিয়া পারভিন

এছাড়াও পড়ুন

গুগলের কাছে মানুষের অদ্ভূত যত সব প্রশ্ন

গুগলের কাছে মানুষের অদ্ভূত যত সব প্রশ্ন

কথায় আছে, এমন কোনো প্রশ্ন নাকি নেই, যেটা সার্চ জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান গুগল হাজির করতে পারবে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

11 + 15 =