নীড় / স্বাস্থ্য / দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাসে হতে পারে মারাত্মক বিপদ!
দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাসে হতে পারে মারাত্মক বিপদ!

দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাসে হতে পারে মারাত্মক বিপদ!

দাঁত দিয়ে নখ কাটার বদঅভ্যাসটি আমাদের অনেকেরই আছে। এটি মারাত্মক বিপদ ডেকে আনতে পারে। এটি ত্বকের জন্য মারাত্মক সেপসিস রোগের কারণ। যার কারণে প্রতি বছর সারা বিশ্বে অন্তত ৬০ লাখ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। গবেষকরা এমনটিই দাবি করেছেন।

ইংল্যান্ডের সাউথপোর্ট শহরের বাসিন্দা লুক হ্যানোম্যানেরও অভ্যাসটি (দাঁত দিয়ে নখ কাটা) ছিল। আর এই অভ্যাসই তাঁকে মারাত্মক বিপদে ফেলেছিল! কপাল জোরে অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন লুক।

লুক জানান, দাঁত দিয়ে নখ কাটতে গিয়ে ভুলবশত ত্বকের কিছুটা অংশ কেটে ফেলেন তিনি। বিষয়টিকে তেমন আমল দেননি তিনি। কিন্তু ঘটনার পরের দিন থেকেই একটা জ্বর জ্বর ভাব, কাঁপুনি, দুর্বলতা অনুভব করেন তিনি। কিন্তু এই বিষয়গুলিকেও তেমন গুরুত্ব না দিয়ে নিয়মিত অফিস যাতায়াত করতে থাকেন তিনি। কিন্তু সমস্যা হল ঘটনার দিন তিনেক পর। রাতে নির্দিষ্ট সময় ঘুমাতে গেলেও পরের দিন ঘুম ভাঙল দুপুর ২টা নাগাদ। এত দীর্ঘ সময় এর আগে কখনোই ঘুমাননি লুক।

চিকিত্সকের সঙ্গে যোগাযোগ করতেই চোখ কপালে উঠল তাঁর। চিকিত্সকরা পরীক্ষা করে জানান, আর একদিনও দেরি করলে তাঁকে বাঁচানোই যেত না। এর পর হাসপাতালে দিন চারেক চিকিত্সার পর সুস্থ হয়ে ওঠেন লুক।

চিকিত্সকরা জানিয়েছেন, দাঁত দিয়ে নখ কাটার সময় ত্বকের অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সেপসিস হয়েগিয়েছিল তাঁর। চিকিত্সকদের মতে, যে কোনো ছোটখাট সংক্রমণ (ইনফেকশন) থেকেই সেপসিস হতে পারে। সাধারণত আমাদের শরীরে কোনো ইনফেকশন হলে তা এক জায়গায় সীমাবদ্ধ থাকে এবং সারা শরীরে তা ছড়িয়ে পড়া থেকে তাকে আটকায় আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা। কিন্তু সংক্রমণের মাত্রা তীব্র হলে তা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। ফলে সারা শরীরে প্রদাহ সৃষ্টি হয়।

এটিই হল সেপসিস। এটি মোটেই উপেক্ষা করার মতো বিষয় নয়। সেপসিস এবং সেপটিক শকের কারণে প্রতি বছর সারা বিশ্বে অন্তত ৬০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হয়।

সেপসিসের মূল উপসর্গ:

প্রচণ্ড দুর্বল ভাব
কথা জড়িয়ে আসা
শ্বাস কষ্ট হওয়া
প্রবল কাঁপুনি বা পেশিতে ব্যথা
সারাদিনে একবারও মুত্রত্যাগ না হওয়া
ত্বক বিবর্ণ হয়ে যাওয়া
.

 

সম্বন্ধে প্রেমা

এছাড়াও পড়ুন

মন খারাপের কারণে কিন্তু হঠাৎ করে মারাও যেতে পারেন!

একেবারেই ঠিক শুনেছেন! বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বহু দিন ধরে মন খারাপের মতো সমস্যার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

1 × 4 =