নীড় / টিউটোরিয়াল / এসইও / ইমেইল মার্কেটিং এর যে ৫টি ভুল ইমেইলের ওপেন রেট কমিয়ে দেয়!
email marketing

ইমেইল মার্কেটিং এর যে ৫টি ভুল ইমেইলের ওপেন রেট কমিয়ে দেয়!

অনলাইন মার্কেটিং এর জনপ্রিয় এবং কার্যকরী একটি পদ্ধতি হল “ইমেইল মার্কেটিং”। এই পদ্ধতির মাধ্যমে কাস্টমারের ইমেইলে কোন পন্য বা সেবার বিবরণ প্রেরন করা হয়। ফলে কাস্টমার সংশ্লিষ্ট পন্য বা সেবা সম্পর্কে প্রাথমিক ধারনাগুলো ইমেইলের ইনবক্সে পেয়ে যান এবং পন্য ক্রয় বা সেবা গ্রহনে আগ্রহী হয়। কিন্তু অধিকাংশ ইমেইল মার্কেটারদের পদ্ধতিগত কিছু ভুলের কারনে তাদের প্রেরিত মেইলের ওপেন রেট কমে যায় যা সেলস কনভার্সনকে প্রভাবিত করে। আজকে আমরা ইমেইল মার্কেটিং করার সময় গুরুত্বপূর্ন ৫টি ভুল সম্পর্কে আলোচনা করবো যা মেইলের ওপেন রেট কমিয়ে দেয়ঃ

১। দূর্বল শিরোনামঃ ইমেইল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে ইমেইলের শিরোনাম খুবই গুরুত্বপূর্ন। বলা হয়ে থাকে ৩৩% ইমেইল ওপেন করা হয় দৃষ্টিনন্দন শিরোনাম দেখে। সুতরাং ইমেইলের শিরোনাম যাতে দৃষ্টিনন্দন এবং প্রাসঙ্গিক হয় সেদিকে ইমেইল মার্কেটারকে বিশেষ মনোযোগী হতে হবে।

২। সঠিকভাবে কাস্টমার সেগমেন্ট না করাঃ ইমেইলের শিরোনাম লিখার ক্ষেত্রে কাস্টমারের বয়স, লিঙ্গ, ইন্টারেস্ট, লোকেশন ইত্যাদি ফ্যাক্টরগুলো মাথায় রাখতে হবে । কারন একই শিরোনাম দিয়ে যদি সকলকে মেইল সেন্ড করা হয় তবে তা কাস্টমারের নিকট প্রাসঙ্গিক হবে না  এবং মেইলের ওপেন রেট কমে যাবে।

জনপ্রিয় ইমেইল সার্ভার মেইলচিম্প এর পরিসংখ্যান মোতাবেক কাস্টমার সেগমেন্ট করা ক্যাম্পেইনগুলোতে নন সেগমেন্ট ক্যাম্পেইন থেকে ১৪.৪% ভাল ওপেন রেট আছে।

no spam

৩। অটোমেটেড ইমেইল সেট না করাঃ অটোমেটেড ইমেইল হল সেই ধরনের ইমেইল যেগুলো কোন ইভেন্ট যেমন কোন কিছু ক্রয়, ডাউনলোড অথবা কোন কমিউনিটিতে জয়েন ইত্যাদির বিপরীতে অটোমেটিক্যালি সেন্ড করা হয়। এই ধরনের ইমেইলগুলোর ওপেন রেট ৭১% বেশি এবং নন অটোমেটেড ইমেইলগুলো থেকে ১০২% বেশি ক্লিক রেট। অটোমেটেড ইমেইল  শুধুমাত্র কাস্টমার সেগমেন্ট করে মেইল সেন্ড হয় তা নয় বরং সময়মতো কাস্টমারের নিকট সেন্ড হয়।

৪।  সঠিকভাবে ইমেইল লিস্ট ম্যানেজ না করাঃ ক্যাম্পেইনের জন্য অপ্রাসঙ্গিক ডাটা সংগ্রহ করা, হাই বাউন্স রেট  না কমানো অথবা ইনেক্টিভ সাবস্ক্রাইবারদের ইমেইল করলে তা ইমেইলের ওপেন রেট কমিয়ে দেয়। সাধারনত ইমেইল লিস্ট সঠিকভাবে ম্যানেজ না করলে নিম্মোক্ত সমস্যা হয়ঃ

  • কাস্টমার আগ্রহ সহকারে মেইল রিসিভ করবে না।
  • ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা ISPs মেইল ডেলিভারি ব্লক করে দিতে পারে।

৫। মেইল ডেলিভার এবং কাস্টমার অ্যাংগেইজমেন্ট না হওয়াঃ লো ওপেন রেটের আরেকটি বড় কারন হল মেইল ডেলিভার না হওয়া এবং পূর্বের ক্যাম্পেইনে ভাল কাস্টমার এঙ্গেইজমেন্ট না থাকা। সাধারনত কাস্টমারদের অনুমতি নিয়ে মেইল লিস্ট ম্যানেজ করলে কাস্টমারেরা পরবর্তি সময়ে মেইলটাকে ভালোভাবে রিসিভ করে যা ওপেন রেটকে বাড়িয়ে দেয়।  অপরদিকে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা ISPs সাবস্ক্রাইবার কর্তৃক অনাকাঙ্খিত মেইল প্রেরনের জন্য খারাপ রিপোর্ট না থাকায় মেইল ডেলিভারিতে বাধা সৃষ্টি  করে না।

পরিশেষে এটাই বলতে চাই এমন ব্যক্তিদের নিকট প্রাসঙ্গিক মেইল সেন্ড করুন যারা আপনার কাছ থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জানতে চায়। আর এটাই মেইলের ওপেন রেট অনেকাংশে বাড়িয়ে দিবে।

 

সম্বন্ধে রুশাদ ইসলাম

এছাড়াও পড়ুন

wordpress

আপনার ওয়ার্ডপ্রেস মেনু কে সাজিয়ে নিন ৩ কলামে.!

আমি আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব ” কি ভাবে আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগ এর মেনুকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

5 × 2 =